
অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা ও ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের জবাবে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যগুলো তুলে ধরেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান-কেন এই সরকার মাত্র সাড়ে পনেরো মাসে ‘সবচেয়ে সফল’ সরকারগুলোর একটি।
প্রেস সচিব লিখেছেন, নামের দিক থেকে এটি অন্তর্বর্তী সরকার হলেও কাজের বাস্তবতায় এটি অনেকের চোখে ছিল দুর্বল ও চাপে নত। বিক্ষোভ, আইন পাসের ধীরগতি, প্রশাসনিক অপারগতা ও রাজনৈতিক চাপের কারণে সমালোচনার মুখে পড়লেও বাস্তব অর্জনই তাদের শক্তি।
তার দাবি, এই সাড়ে ১৫ মাসে-
- দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরেছে; প্রতিশোধমূলক সহিংসতা কমেছে।
- লবিং ফার্ম ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ট্যারিফ চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
- রেকর্ডসংখ্যক আইন পাস হয়েছে, যার মধ্যে বড় শ্রম সংস্কারও রয়েছে।
- ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ ও ‘জুলাই চার্টার’ জাতীয় রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতার ভিত্তি গড়ে দিয়েছে।
- সুপ্রিম কোর্ট নিম্ন আদালতের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক মামলা ঠেকাতে।
- লালদিয়া টার্মিনাল নির্মাণে বিশ্বের শীর্ষ বন্দর অপারেটর বিনিয়োগ করেছে-যা ইউরোপের বৃহত্তম বিনিয়োগও।
- নতুন বৈদেশিকনীতি কাঠামো বাংলাদেশকে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নতুন অবস্থানে নিয়ে গেছে।
- অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়েছে; মুদ্রাস্ফীতি ও ব্যাংক লুটপাট কমেছে।
- খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি ১৪% থেকে ৭%-এ নেমে এসেছে।
- বিচারপ্রক্রিয়ায় অতীত অপব্যবহারের জবাবদিহি শুরু হয়েছে।
- গুম বন্ধ হয়েছে এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক চরমপন্থা নিষ্ক্রিয় হয়েছে।
- গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরে এসেছে; ১৬ মাসে সাজানো ‘ক্রসফায়ার’ নেই।
- র্যাব এখন আইনের অধীনে চলছে, গোয়েন্দা সংস্থার হয়রানিও কমেছে।
শেষে তিনি লিখেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে এত বেশি কাজ আর কোনো সরকার করতে পারেনি, যতটা এই অন্তর্বর্তী সরকার করেছে।
নিউজটি পড়েছেন : ১২৯





















