
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রুহুল আমিনের ছোট ছেলে ব্রেইন স্ট্রোকে মৃত্যুবরণ করেছেন। ছেলের জানাজায় অংশ নিতে কারাগারে থাকা কাউন্সিলরকে বিশেষ প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়।
বুধবার রাত আনুমানিক সাতটার দিকে জানাজায় এসে কাউন্সিলর বলেন, আমাকে কেন আটক করা হয়েছে জানি না। কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি থাকলে আমাকে মুক্ত করার ব্যবস্থা করবেন। জেলখানা অনেক কষ্টের জায়গা, কেউ এমন কাজ করবেন না, যাতে জেলে যেতে হয়।
জানাজায় উপস্থিত বহু মানুষ জানান, কাউন্সিলর তার অতীত কৃতকর্ম নিয়ে কোনো অনুতাপ প্রকাশ করেননি। বরং তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে গেছেন।
কাউন্সিলর থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে ছিল- একাধিক চাঁদাবাজি, এলাকার বিভিন্ন অপরাধচক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা, ক্ষমতার প্রভাবে আওয়ামী মতাদর্শের বিরোধী সাধারণ মানুষকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া, এসব অভিযোগে জনমনে এখনো তীব্র ক্ষোভ রয়েছে।
৫ আগস্ট “হাসিনা পালনের দিন” তিনি ও তার বড় ছেলের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে দুইজনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনাও আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
ছেলের মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনরা শোকে ভেঙে পড়লেও কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে থাকা নানা অভিযোগ ও তার অনুতপ্ত না হওয়া এগুলো এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।





















