
নড়াইলে পৃথক দুটি ঘটনায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এক যুবকের মৃত্যু এবং নিখোঁজের এক মাস পর সেপটিক ট্যাংক থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় জেলাজুড়ে শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় নসিমনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত মোটরসাইকেল আরোহী সাগর মোল্যা (১৯) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। একই দুর্ঘটনায় তার বন্ধু ইমরান (১৯) গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ভোর রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাগরের মৃত্যু হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া–লোহাগড়া সড়কের মাকড়াইল পুরাতন বাস স্ট্যান্ড এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত সাগর মোল্যা উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল গ্রামের উসমান মোল্যার ছেলে। আহত ইমরান একই গ্রামের আরজান মোল্যার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাগর ও ইমরান মোটরসাইকেলযোগে লোহাগড়ার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি নসিমনের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দু’জনই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাগরকে ঢাকায় এবং ইমরানকে যশোরে পাঠানোর পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার পর সাগর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ইমরানের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
লোহাগড়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন,
“সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি এখনো লিখিতভাবে জানানো হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অপরদিকে নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় নিখোঁজের এক মাস আট দিন পর সেপটিক ট্যাংক থেকে আলপনা (৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী আল-আমীন মণ্ডল ওরফে ইরানুরকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার শুক্তগ্রামের বাবরা–হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নিহতের স্বামীকে আটক করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।





















