সময় ফুরিয়ে আসছে। আর সেই সঙ্গে বাড়ছে অনিশ্চয়তা।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হচ্ছে রোববার (২৬ এপ্রিল)। এরপর কী হবে-সেই প্রশ্ন এখন বিশ্বজুড়ে।
ইসরায়েলকে এ বিষয়ে আগেই জানিয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটন। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রশাসন নিশ্চিত করেছে-প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন, তা খুব শিগগিরই শেষ হচ্ছে।
তবে পরিস্থিতি এখনো পরিষ্কার নয়। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বড় কোনো অগ্রগতির সম্ভাবনা খুব কম।
একজন কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, পুরো পরিস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মধ্যেও কিছুটা বিভ্রান্তি রয়েছে। তারা অনেক সময় সিদ্ধান্তের খবর পাচ্ছেন গণমাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকেই।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধবিরতি তিন থেকে পাঁচ দিনের জন্য বাড়ানো হয়েছিল।
অন্যদিকে ইসরায়েলি সূত্র বলছে, পুরো বিষয়টি অনেকটাই নির্ভর করছে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ওপর।
এর আগে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরানের সঙ্গে এই যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানো হয়েছিল। তবে শর্ত ছিল-ইরানকে একটি গ্রহণযোগ্য প্রস্তাব দিতে হবে।
কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই প্রস্তাব নিয়ে কোনো বড় অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।
গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা বাড়ে। এরপর পাল্টা হামলা চালায় ইরানও।
পরিস্থিতি সামাল দিতে এপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং ইসলামাবাদে প্রথম দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এখন দ্বিতীয় দফার আলোচনার প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু আস্থার সংকট এখনো কাটেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হলে আবারও বড় ধরনের সংঘাত শুরু হতে পারে।