রবিবার- ২২শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আগামী সপ্তাহেই বাংলাদেশের ওপর শুল্ক কমানোর ঘোষণা আসতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশ শুল্ক কমানো
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের জন্য সুখবর আসতে পারে খুব শিগগিরই। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানিতে বড় স্বস্তি মিলতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।

তিনি জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে অথবা আগামী সপ্তাহের শুরুতেই বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ কমানোর ঘোষণা দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

মঙ্গলবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সাফল্য নিয়ে কথা বলতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, ওয়াশিংটন এ বিষয়ে আন্তরিক। তবে বর্তমানে আরোপিত ২০ শতাংশ শুল্ক কতটা কমবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি। লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অশুল্কনীতি ও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের চলমান সংস্কার কার্যক্রম অনেক ক্ষেত্রেই একে অপরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, একসময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের বাণিজ্যঘাটতি ছিল। সেটি এখন অনেকটাই কমে এসেছে। এই বাস্তবতাও শুল্ক কমানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করছে।

এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গেও বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা চলছে বলে জানান লুৎফে সিদ্দিকী। দাভোসে ইইউ কমিশনার রোক্সানা মিনজাতু ও জোজেফ সিকেলার সঙ্গে সম্ভাব্য মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে কথা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইইউর সঙ্গে এফটিএ করতে আগ্রহী। ইইউও আগ্রহ দেখিয়েছে, তবে তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া ধীরগতির।

লুৎফে সিদ্দিকী জানান, ইইউ বর্তমানে ভারতের সঙ্গে এফটিএ নিয়ে কাজ করছে। এরপর ভিয়েতনামকে অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে, যা বাংলাদেশের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। তবে তিনি আশাবাদী-এই আলোচনাগুলো চালিয়ে যেতে হবে এবং পরবর্তী সরকারের জন্য এ বিষয়ে বিস্তারিত নোট রেখে যাওয়া হবে।

আরও পড়ুন

সম্পর্কিত আরো খবর

জনপ্রিয়