Search
Close this search box.

বৃহস্পতিবার- ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

রোজায় এই গরমে সুস্থ থাকার উপায়

রোজায় এই গরমে সুস্থ থাকার উপায়

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকা একটি বড় চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে রোজার সময়। শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারে, ডিহাইড্রেশন এবং হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে এই গরমেও সুস্থ থাকা সম্ভব। আসুন জেনে নেই কীভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

রোজার সময় দীর্ঘ সময় পানি পান করা সম্ভব হয় না। তাই সাহরি ও ইফতারে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। এছাড়া ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ওরস্যালাইন ইত্যাদি পান করুন, যা শরীরের পানিশূন্যতা পূরণে সহায়ক।

সঠিক খাবার গ্রহণ করুন

গরমে ভাজাপোড়া ও গুরুপাক খাবার এড়িয়ে চলুন। সাহরি ও ইফতারে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খান। তরমুজ, শসা, পেঁপে, দই, লেবু, শাকসবজি ও ফলমূল বেশি করে খান। এগুলো শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।

হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরুন

সুতির, ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের পোশাক গরমের তীব্রতা কমাতে সাহায্য করে। গাঢ় রঙের পোশাক তাপ শোষণ করে বেশি গরম লাগাতে পারে, তাই সাদা বা হালকা রঙের পোশাক পরার চেষ্টা করুন।

রোদ এড়িয়ে চলুন

সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদের তাপমাত্রা বেশি থাকে। এই সময় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজনে ছাতা, টুপি বা সানগ্লাস ব্যবহার করুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন

গরমে অতিরিক্ত কাজ করলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। দিনে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যাস করুন। এতে শরীর সতেজ থাকবে।

ঠান্ডা পরিবেশ বজায় রাখুন

যথাসম্ভব শীতল পরিবেশে থাকার চেষ্টা করুন। ঘর ঠান্ডা রাখতে জানালা খোলা রাখুন, পর্দা ব্যবহার করুন এবং পাখার বাতাস নিন।

নিয়মিত গোসল করুন

প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং সারা দিন সতেজ অনুভব হয়।

হিটস্ট্রোক প্রতিরোধে সচেতন থাকুন

অতিরিক্ত গরমে মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, দুর্বল লাগা, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা হলে সতর্ক থাকুন। দ্রুত ছায়াযুক্ত বা ঠান্ডা স্থানে বিশ্রাম নিন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

গরমের সময়ে শরীরের যত্ন না নিলে নানা স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন, সঠিক খাবার খান, আরামদায়ক পোশাক পরুন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। সামান্য সচেতন থাকলেই গ্রীষ্মকাল উপভোগ্য হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন

সম্পর্কিত আরো খবর

জনপ্রিয়