Search
Close this search box.

বৃহস্পতিবার- ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

আ.লীগকে ফেরাতে একাধিক দলের সম্মতি: হাসনাতের বিস্ফোরক দাবি

আ.লীগকে ফেরাতে একাধিক দলের সম্মতি: হাসনাতের বিস্ফোরক দাবি
ছবিঃ সংগৃহীত

শর্তসাপেক্ষে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনে একাধিক দল সম্মত হয়েছে বলে বিস্ফোরক দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা চলছে, যা পুরোপুরি ভারতের উদ্যোগ। পরিকল্পনায় সাবের হোসেন চৌধুরী, শিরিন শারমিন ও শেখ ফজলে নূর তাপসের নাম সামনে আনা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

আ.লীগকে ফেরাতে একাধিক দলের সম্মতি: হাসনাতের বিস্ফোরক দাবি
হাসনাত আবদুল্লাহ এর ফেসবুক পোস্ট

তিনি আরও দাবি করেন, ১১ মার্চ ক্যান্টনমেন্টে তার সঙ্গে আরও দুই নেতাকে নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তাদেরকে একটি সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রস্তাবে বলা হয়, কিছু রাজনৈতিক দল শর্তসাপেক্ষে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনে রাজি হয়েছে। বিরোধী দলগুলোকে একটি দুর্বল আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাখতে চাইছে একটি বিশেষ মহল।

হাসনাত আরও উল্লেখ করেন, আলোচনার একপর্যায়ে তাকে বলা হয়, ‘আওয়ামী লীগ মাস্ট কাম ব্যাক।’ তিনি জানান, প্রস্তাবের বিরোধিতা করায় তাকে তিরস্কার করা হয় এবং বলা হয়, তারা ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় টিকে থাকার কৌশল জানেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের বিরুদ্ধে তিনি রাজপথে আন্দোলন করবেন। তার ভাষায়, ‘যদি আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়, তবে আমাদের লাশের ওপর দিয়েই করতে হবে।’ নিজের পোস্টের শেষে তিনি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, তিনি যদি বিপদের মুখে পড়েন, তবে জনগণ যেন তার পাশে থাকে।

তিনি সকল বিরোধী শক্তিকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যদি আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকি, তবে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার পথ বন্ধ করা সম্ভব। আমরা কোনো অবস্থাতেই আওয়ামী লীগকে স্বাভাবিক রাজনীতি করতে দেব না।’

হাসনাতের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের মন্তব্য ক্ষমতাসীন দলের ভবিষ্যৎ রাজনীতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন

সম্পর্কিত আরো খবর

জনপ্রিয়