বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়-সে প্রত্যাশার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে জাতিসংঘ।
নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক। এ সময় এক সাংবাদিক বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান জানতে চান।
সাংবাদিক প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে এবং সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে। এই প্রেক্ষাপটে নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রাখতে জাতিসংঘ মহাসচিবের কোনো পরামর্শ রয়েছে কি না- তা জানতে চাওয়া হয়।
প্রশ্নের জবাবে ফারহান হক বলেন, জাতিসংঘ চায় বাংলাদেশে নির্বাচন প্রক্রিয়া এগিয়ে যাক এবং সেটি সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সম্পন্ন হোক। তিনি বলেন,
“আমরা শুরু থেকেই স্পষ্ট করে বলে আসছি-নির্বাচনের জন্য এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, যেখানে জনগণ নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে জনজীবনে অংশ নিতে পারবে এবং ভিন্নমত স্বাধীনভাবে প্রকাশ করতে পারবে।”
তিনি আরও জানান, জাতিসংঘ বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনী প্রক্রিয়া দেখতে আগ্রহী, যেখানে সব রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে এবং নাগরিক অধিকার সমুন্নত থাকবে।