মঙ্গলবার- ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১০ মার্চ শুরু ফ্যামিলি কার্ড, ১৩ উপজেলায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম
ছবি: সংগৃহীত

দরিদ্র পরিবারের সহায়তায় নতুন উদ্যোগ—ফ্যামিলি কার্ড। আর সেই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আগামী ১০ মার্চ। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, শুরুটা ছোট পরিসরে হলেও পরিকল্পনাটা বড়। প্রথম ধাপে দেশের ১৩টি জেলার একটি করে ওয়ার্ডে এই কার্যক্রম চালু হবে।

প্রথমে দুটি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চালুর কথা ছিল। তবে পরে সিদ্ধান্ত বদলে ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে একযোগে শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়। এ বিষয়ে আলোচনা হয় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে।

সরকার বলছে, এতদিন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অনেক ক্ষেত্রে ভুল লক্ষ্য নির্ধারণের কারণে সুবিধা ঠিকমতো পৌঁছায়নি। প্রায় অর্ধেক ক্ষেত্রে ত্রুটি ছিল। নতুন ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে একাধিক সুবিধা একসঙ্গে দেওয়া যাবে। এতে অপচয় কমবে, স্বচ্ছতা বাড়বে।

কারা পাবেন এই কার্ড?

জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ধরে প্রাথমিক তালিকা তৈরি হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে সরেজমিন যাচাই করে চূড়ান্ত তালিকা করা হবে। পরিবারগুলোকে চার ভাগে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে-হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিটি কার্ডে পাঁচজন সদস্যের নাম থাকবে। পরিবারের সদস্য বেশি হলে আলাদা কার্ড দেওয়া হবে। একজন ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা প্রাপ্য সুবিধা নিতে পারবেন।

প্রথম ধাপে যেসব এলাকায় কর্মসূচি শুরু হবে, তার মধ্যে রয়েছে বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাগঞ্জ।

উপজেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটির প্রধান থাকবেন একজন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করতে বলা হয়েছে।

অনুদানের অর্থ দেওয়া হবে ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে। আর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—পরিবারপ্রধান হিসেবে নারীর হাতেই তুলে দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড।

এই উদ্যোগ কি সত্যিই দরিদ্র মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনবে? এখন সেই অপেক্ষা।

আরও পড়ুন

সম্পর্কিত আরো খবর

জনপ্রিয়