
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট ২৫৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও এখনো অনিশ্চয়তায় রয়েছে অবশিষ্ট ৪৭টি আসন। এই আসনগুলো মূলত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য সংরক্ষিত থাকলেও শেষ পর্যন্ত জোটে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।
গত বৃহস্পতিবার রাতে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের আনুষ্ঠানিকভাবে আসন সমঝোতার ঘোষণা দেন। তার ঘোষণায় জানানো হয়, জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি এবং নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি আসনে নির্বাচন করবে।
সূত্র জানায়, এই হিসাবের বাইরে থাকা ৪৭টি আসন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য রাখা হয়েছিল। তবে শুক্রবার বিকেলে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, তারা এই নির্বাচনী জোটে অংশ নেবে না এবং ২৬৮টি আসনে এককভাবে নির্বাচন করবে।
ইসলামী আন্দোলন সরে দাঁড়ানোয় জোটের ভেতরে অবশিষ্ট ৪৭টি আসন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জোটের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, এই আসনগুলো পুনরায় সমঝোতার মাধ্যমে শরিক দলগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জোটের এক নেতা জানান, অবশিষ্ট আসনের মধ্যে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী দিতে পারে। বাকি ৭ থেকে ১২টি আসন এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও এবি পার্টিসহ অন্যান্য শরিক দলগুলোর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হতে পারে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শিগগিরই ঘোষণা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।





















