শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার আদায়ে সংসদে যাওয়াই একমাত্র পথ-এমন ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে বলা হয়েছে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রশ্নটি জনগণের রায়ের ওপরই নির্ভরশীল। দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে জনগণ তাদের ভোট দেবে সেইসব প্রতিনিধিকে, যারা সংসদে গিয়ে হাদি হত্যার বিচার এবং তার আদর্শ ও সাংস্কৃতিক সংগ্রাম জারি রাখার দাবিতে সোচ্চার থাকার অঙ্গীকার করবে।
একটি ফেসবুক পোস্টে এ বক্তব্য তুলে ধরা হয়। পোস্টে বলা হয়, খুনের বিচারের জন্য কোনো বিশেষ প্ল্যাটফর্ম বা ক্ষমতাকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল হওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং জনগণের সম্মিলিত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে কারা সংসদে যাবে এবং কারা সেখানে ন্যায়বিচারের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেবে।
পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, হাদি হত্যার বিচার কেবল একটি ব্যক্তি হত্যার বিচার নয়-এটি একটি আদর্শিক ও সাংস্কৃতিক সংগ্রামের প্রশ্ন। যে প্রতিনিধিরা সংসদে গিয়ে এই সংগ্রামকে অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করবে, জনগণ তাদেরই বিজয়ী করবে।
বক্তব্যে ইঙ্গিত দেওয়া হয়, বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হলে রাজনৈতিক অঙ্গনে নৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করা জরুরি। সংসদে যাওয়ার আগে নয়, বরং সংসদে গিয়ে কী অবস্থান নেওয়া হবে-সেটিই জনগণের কাছে মুখ্য বিবেচ্য বিষয়।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এমন বক্তব্য সংসদকেন্দ্রিক রাজনীতির বাইরেও ন্যায়বিচার ও আদর্শভিত্তিক প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নকে সামনে আনছে, যা বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।