
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ৮ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হতে পারে দু-এক দিনের মধ্যে। তবে শরিকদের জন্য কতটি আসনে ছাড় দেবে তা এখনো নিশ্চিত নয়। ৮ দলের সঙ্গে আসন সমঝোতায় আরও ২-৩টি নতুন ইসলামি দলের যোগের সম্ভাবনা রয়েছে। এসব মিলিয়ে জামায়াতের শরিকরা মোট ৩৪৮ আসনের দাবি করছে।
জামায়াতের শীর্ষ নেতারা জানান, আসন সমঝোতার দেরি ঘটেছে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যুসহ অন্যান্য কারণে। লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকও সময়মতো করা সম্ভব হয়নি।
প্রায় এক বছর আগে ৩০০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে ভোটের মাঠে কাজ শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী। পরে ৫ দফার আন্দোলন কেন্দ্র করে আরও সাতটি সমমনা ইসলামি দল জামায়াতের সঙ্গে এক ছাতার মঞ্চে আসে। আগামী নির্বাচনে দলগুলো একক প্রার্থী দিতে একমত হলেও, আসন সমঝোতায় মাঠ জরিপের ফলাফলকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মাঠ জরিপের ভিত্তিতে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ১২০টি আসন দাবি করেছে। অন্য ৬ শরিক দল মিলিয়ে আরও ১০০টি আসন দাবি করেছে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল জানিয়েছেন, আগের ৭ দল ও নতুন ৩ দল মিলিয়ে মোট ৩৪৮ আসনের দাবি রয়েছে। যদিও পার্লামেন্টে আসন সংখ্যা ৩০০, কিন্তু দলটি উদার মনোভাবের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে সকলকে একত্র রাখতে চাচ্ছে।
জামায়াতের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংখ্যার ভিত্তিতে নয়, সম্ভাবনার ভিত্তিতে সমঝোতা করা হবে। যাকে যেখানে বেশি কার্যকর মনে হবে, তাকে সেই আসনে মনোনয়ন দেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়ায় ৮ দলের শীর্ষ নেতাদের সমর্থন পেতে হবে, যা এখন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।





















