
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় সুখবর আসতে যাচ্ছে। স্কুল–কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে, যেখানে প্রায় ৬৭ হাজার শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, যাচাই-বাছাই শেষে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ৬৭ হাজার ২০৮টি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি শেষে যেকোনো দিন এই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
এ বিষয়ে এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য পদের সংখ্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংখ্যা ৬৭ হাজারের কাছাকাছি হতে পারে, তবে প্রয়োজনে কিছুটা বাড়তে বা কমতেও পারে।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, শুরুতে সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তির জন্য ৭২ হাজার শূন্য পদের চাহিদা পাওয়া যায়। এর মধ্যে স্কুল ও কলেজে ৩০ হাজার ২৭৯টি, মাদরাসায় ৪০ হাজার ৮৩৮টি এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮৯১টি পদ ছিল। যাচাই-বাছাই শেষে সেই সংখ্যা কমে ৬৭ হাজার ২০৮টিতে দাঁড়িয়েছে।
সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১৬ জুন ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। ওই বিজ্ঞপ্তিতে ১ লাখ ৮২২টি শূন্য পদ ছিল। পরে ১৯ আগস্ট ফলাফল প্রকাশ করা হয় এবং সেখান থেকে ৪১ হাজার ৬২৬ জন শিক্ষককে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সাল থেকে এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন সনদ প্রদান করে আসছে। তবে শুরুতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ছিল সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির হাতে।
পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর সরকার এনটিআরসিএকে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশের ক্ষমতা প্রদান করে। এরপর ছয়টি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫২৪ জন শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।




















