
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, খাদ্য নিরাপত্তা, নিরাপদ পানি, নিরাপদ খাদ্য এবং বিশুদ্ধ বায়ু নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য যুগোপযোগী নীতি প্রণয়ন করা ও বাস্তবায়ন করা অপরিহার্য।
শনিবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত “বাংলাদেশ সাসটেইনেবিলিটি কনক্লেভ ২০২৫” এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা আরও বলেন, “নাগরিকদের জীবনধারায় পরিবর্তন ও সচেতনতা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। অতিরিক্ত ভোগ কমাতে হবে, কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং পলিথিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।”
তিনি উল্লেখ করেন, “সরকারের কাছে ট্যাক্স প্রণোদনার প্রস্তাব পৌঁছে দেওয়া হবে যাতে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগগুলো উৎসাহিত হয়। নীতি আমাদের আছে, এখন জরুরি হলো কার্যকর বাস্তবায়ন।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। এতে সুইডেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রম, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির, এমটিবি’র এমডি ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, হাতিল চেয়ারম্যান সেলিম এইচ. রহমান, অক্সফাম ইন বাংলাদেশের শরীফুল ইসলাম এবং মিশন গ্রিন বাংলাদেশের আহসান রনি বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, “টেকসই উন্নয়ন শুধু নীতি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দায়িত্ব। নাগরিক, সরকার ও বেসরকারি খাত একসাথে কাজ করলে একটি সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।