
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথম ধাপেই ১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
বুধবার বেলা ১১টায় রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই তালিকা ঘোষণা করেন সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এনসিপি দেশের রাজনীতিতে বিকল্প নেতৃত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিন ধাপে প্রার্থী ঘোষণা করবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ১২৫ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। দলটির দাবি, যোগ্য, সৎ ও সমাজমুখী নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দিয়েই এই মনোনয়ন তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
আখতার হোসেন জানান, দ্বিতীয় তালিকায় রাষ্ট্র সংস্কারে আগ্রহী জামায়াত ও বিএনপি ঘরানার প্রার্থীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
উত্তরাঞ্চলে পঞ্চগড়-১ এ মো. সারজিস আলম, ঠাকুরগাঁও-২ এ মো. রবিউল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-৩ এ মো. গোলাম মর্তুজা সেলিম, দিনাজপুর-৩ এ আ হ ম শামসুল মুকতাদির, দিনাজপুর-৫ এ ডা. মো. আব্দুল আহাদকে মনোনয়ন দিয়েছে এনসিপি। নীলফামারী-২ এ ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পন, নীলফামারী-৩ এ মো. আবু সায়েদ লিয়ন, লালমনিরহাট-২ এ রাসেল আহমেদ, লালমনিরহাট-৩ এ মো. রকিবুল হাসান, রংপুর-১ এ মো. আল মামুন এবং রংপুর-৪ এ আখতার হোসেনকে প্রার্থী করা হয়েছে।
কুড়িগ্রামের তিন আসনে-১ এ মো. মাহফুজুল ইসলাম, ২ এ ডা. আতিক মুজাহিদ এবং ৩ এ ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু সাঈদ জনিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। গাইবান্ধা-৩ এ মো. নাজমুল হাসান সোহাগ, গাইবান্ধা-৫ এ ডা. আ. খ. ম. আসাদুজ্জামান, জয়পুরহাট-১ এ গোলাম কিবরিয়া ও জয়পুরহাট-২ এ আবদুল ওয়াহাব দেওয়ান কাজলকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
বগুড়া-৬ এ আব্দুল্লাহ-আল-ওয়াকি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ এ মু. নাজমুল হুদা খান (রুবেল খান), নওগাঁর পাঁচ আসনে-১ এ কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস, ২ এ মো. মাহফুজার রহমান চৌধুরী, ৩ এ পরিমল চন্দ্র (উরাও), ৪ এ মো. আব্দুল হামিদ ও ৫ এ মনিরা শারমিন প্রার্থী হয়েছেন। নাটোর-২ এ আব্দুল মান্নাফ এবং নাটোর-৩ এ অধ্যাপক এস. এম. জার্জিস কাদির, সিরাজগঞ্জের চার আসনে-৩ এ দিলশানা পারুল, ৪ এ দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি), ৫ এ মনজুর কাদের, ৬ এ এস এম সাইফ মোস্তাফিজ মনোনয়ন পেয়েছেন।
পাবনা-৪ এ অধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুল মজিদ, মেহেরপুর-১ এ মো. সোহেল রানা, মেহেরপুর-২ এ অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদ, চুয়াডাঙ্গা-১ এ মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান, ঝিনাইদহ-১ এ অ্যাডভোকেট লাবাবুল বাসার (দয়াল বাসার), যশোর-৪ এ মো. শাহজাহান কবীর, মাগুড়া-২ এ মোহাম্মাদ তরিকুল ইসলাম মনোনয়ন পেয়েছেন। বাগেরহাট-২ এ মোল্যা রহমাতুল্লাহ, খুলনা-১ এ মো. ওয়াহিদ উজ জামান, খুলনা-২ এ ফরিদুল হককে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।
বরিশাল বিভাগের দিকে তাকালে-পটুয়াখালী-১ এ অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা, পটুয়াখালী-২ এ মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, ভোলা-১ এ অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান, বরিশাল-৪ এ আবু সাঈদ মুসা, বরিশাল-৫ এ মো. নুরুল হুদা চৌধুরী এবং ঝালোকাঠি-১ এ ডা. মাহমুদা আলম মিতু প্রার্থী হয়েছেন। পিরোজপুর-৩ এ ডা. মো. শামীম হামিদী মনোনয়ন পেয়েছেন।
ঢাকা বিভাগের শুরুতে-টাংগাইল-১ এ সাইদুল ইসলাম (শহীদ সাজিদ-এর পরিবার), টাংগাইল-৩ এ সাইফুল্লাহ হায়দার, টাংগাইল-৫ এ মাসুদুর রহমান রাসেল এবং টাংগাইল-৭ এ খন্দকার মাসুদ পারভেজকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। জামালপুর-৪ এ ডা. মো. মোশাররফ হোসেন, শেরপুর-১ এ ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন মিয়া, শেরপুর-২ এ খোকন চন্দ্র বর্মণ (আহত) মনোনীত হয়েছেন।
ময়মনসিংহের আট আসনে-১ এ মো. আবু রেহান, ৩ এ কবি সেলিম বালা, ৫ এ মিয়াজ মেহরাব তালুকদার, ৬ এ জাবেদ রাসিন, ৭ এ অ্যাডভোকেট এ. টি. এম. মাহবুব-উল আলম, ৯ এ আশিকিন আলম (রাজন) এবং ১১ এ তানহা শান্তাকে প্রার্থী করা হয়েছে। নেত্রকোণা-২ এ ফাহিম রহমান খান পাঠান ও ৩ এ প্রকৌশলী ইফতেখার হোসেন সিদ্দিকী (শামীম) মনোনয়ন পেয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ-২ এ আবু সাঈদ (সাঈদ উজ্জ্বল), কিশোরগঞ্জ-৩ এ শেখ খায়রুল কবির আহমেদ, মুন্সিগঞ্জ-১ এ আলী নেওয়াজ এবং মুন্সিগঞ্জ-২ এ মাজেদুল ইসলামকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর ও পার্শ্ববর্তী আসনে-ঢাকা-১ এ মো. রাসেল আহমেদ, ঢাকা-৪ এ ডা. জাহিদুল ইসলাম, ঢাকা-৫ এ এস এম শাহরিয়ার, ঢাকা-৭ এ তারেক আহম্মেদ আদেল, ঢাকা-৯ এ ডা. তাসনিম জারা, ঢাকা-১১ এ মো. নাহিদ ইসলাম, ঢাকা-১২ এ নাহিদা সারওয়ার নিভা, ঢাকা-১৩ এ আকরাম হুসাইন, ঢাকা-১৫ এ মেজর (অব.) মুহাম্মদ আলমগীর ফেরদৌস, ঢাকা-১৬ এ আরিফুল ইসলাম আদীব, ঢাকা-১৭ এ ডা. তাজনূভা জাবীন, ঢাকা-১৮ এ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ঢাকা-১৯ এ ফয়সাল মাহমুদ শান্ত এবং ঢাকা-২০ এ ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ মনোনীত হয়েছেন।
গাজীপুর-৬ এ ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল, নরসিংদী-১ এ মো. আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, নরসিংদী-২ এ সারোয়ার তুষার, নরসিংদী-৪ এ ডা. মো. মামুনুর রহমান জাহাঙ্গীর এবং নরসিংদী-৫ এ মো. নাজমুল হক সিকদার প্রার্থী হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ-৪ এ অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ এ আহমেদুর রহমান তনু মনোনয়ন পেয়েছেন।
ফরিদপুর-৩ এ সৈয়দা নীলিমা দোলা, রাজবাড়ী-২ এ সাইয়েদ জামিল (জামিল হিজাযী), গোপালগঞ্জ-১ এ প্রলয় কুমার পাল, গোপালগঞ্জ-৩ এ মো. আরিফুল দাড়িয়া, শরীয়তপুর-১ এ মো. আব্দুর রহমানকে প্রার্থী করা হয়েছে।
সিলেট অঞ্চলে-সিলেট-১ এ এহতেশাম হক, সিলেট-৩ এ ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ, সিলেট-৪ এ মো. রাশেল উল আলম; মৌলভীবাজার-৪ এ প্রীতম দাশ, হবিগঞ্জ-৪ এ নাহিদ উদ্দিন তারেক মনোনীত হয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ এ মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ এ মো. আতাউল্লাহ, কুমিল্লা-৪ এ হাসনাত আবদুল্লাহ, কুমিল্লা-৬ এ নাভিদ নওরোজ শাহ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা পেয়েছেন।
চাঁদপুর-১ এ আরিফুল ইসলাম, চাঁদপুর-২ এ ইসরাত জাহান বিন্দু, চাঁদপুর-৫ এ মো. মাহাবুব আলম, ফেনী-৩ এ মোহাম্মাদ আবুল কাশেম মনোনয়ন পেয়েছেন। নোয়াখালী-১ এ ব্যারিস্টার মো. ওমর ফারুক, নোয়াখালী-৫ এ অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, নোয়াখালী-৬ এ আব্দুল হান্নান মাসউদকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-৬ এ মহিউদ্দিন জিলানী, চট্টগ্রাম-৮ এ মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, চট্টগ্রাম-৯ এ মো. রিয়াজুল আনোয়ার চৌধুরী সিন্টু, চট্টগ্রাম-১০ এ সাগুফতা বুশরা মিশমা, চট্টগ্রাম-১১ এ মোহাম্মদ আজাদ দোভাষ, চট্টগ্রাম-১৩ এ জুবাইরুল আলম মানিক, চট্টগ্রাম-১৪ এ মুহাম্মদ হাসান আলী, চট্টগ্রাম-১৫ এ আবদুল মাবুদ সৈয়দ এবং চট্টগ্রাম-১৬ এ মীর আরশাদুল হক প্রার্থী হয়েছেন।
কক্সবাজার-১ এ মো. মাইমুল আহসাম খান, কক্সবাজার-২ এ আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন, কক্সবাজার-৪ এ মুহাম্মদ হোসাইন, খাগড়াছড়িতে অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা, রাঙামাটিতে প্রিয় চাকমা এবং বান্দরবানে মংসা প্রু চৌধুরী মনোনীত হয়েছেন।
ঘোষণার শেষে এনসিপি জানায়, রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া বিএনপি-জামায়াত ঘরানার আগ্রহী নেতাদের পরবর্তী ধাপের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।





















