
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আসন সমঝোতা নিয়ে কৌশলী অবস্থান নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। আনুষ্ঠানিক জোট না করলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ সমমনা সাতটি দলকে নিয়ে পাঁচ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারকে চাপে রেখে নির্বাচনী কৌশল সাজাচ্ছে তারা।
দলগুলোর মধ্যে অভিন্ন নীতি হিসেবে ‘এক আসনে এক প্রার্থী’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য ৩০০ আসনেই জনপ্রিয়তা যাচাই করতে মাঠপর্যায়ে জরিপ চলছে। জরিপের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি দলকে এই নির্বাচনী সমঝোতায় যুক্ত করার প্রচেষ্টাও চলছে।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও সমঝোতা কৌশল চলমান থাকবে। কোথাও কোথাও দলীয় প্রার্থীর বাইরে মনোনয়নবঞ্চিত বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গেও অঘোষিত সমঝোতার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, আইনজীবীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী গোষ্ঠীর সমর্থনও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
জামায়াত–সমমনা আট দলের পাশাপাশি বিএনপিও ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে পাশে পাওয়ার চেষ্টা করছে-যা দুই পক্ষের মধ্যে এক ধরনের অঘোষিত দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করেছে।
এদিকে প্রশাসনিক রদবদলেও তীক্ষ্ণ নজর রাখছে জামায়াত। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে তারা মাঠ প্রশাসনে পদায়ন ও বদলি লটারির মাধ্যমে করার প্রস্তাব তুলে ধরে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পরও আট দল অভিন্ন কর্মসূচি থেকে সরে না এসে নতুন করে বিভাগীয় সমাবেশ ঘোষণা করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার, বিএনপি এবং অন্যান্য দলকে চাপে রেখে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের কৌশল নিয়েছে জামায়াত।





















