
খেলোয়াড়রা কি রাজনৈতিক পরিচয়ে পরিচিত হবেন, নাকি দেশের প্রতিনিধিত্বই হবে তাদের আসল পরিচয়?
এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, পেশাদার খেলোয়াড়রা কোনো রাজনৈতিক দলের নয়-তারা দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তাদের পারফরম্যান্স দিয়ে।
সোমবার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান। এ সময় ক্রীড়াভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সফল খেলোয়াড়দের পুরস্কার ও ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা নিজেদের যোগ্যতায় দেশের জন্য সাফল্য এনে দিয়েছেন, তারা জাতির গর্ব। তাদের এই অর্জনের পেছনে পরিবার, কোচ ও সংশ্লিষ্ট সবার অবদান রয়েছে।
খেলাধুলার মানসিকতা নিয়েও কথা বলেন তিনি। বলেন, প্রতিটি জয়ের পেছনে প্রতিপক্ষ থাকে। আর হার মানেই শেষ নয়-এটা জয়েরই অংশ। আলবার্ট আইনস্টাইনের উদ্ধৃতি টেনে তিনি বলেন, “যে কখনো হারেনি, সে কখনো কিছুই করেনি।”
খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার বিষয়েও আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, খেলোয়াড়দের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো বেতন কাঠামো এবং ক্রীড়া ভাতা চালু করা হয়েছে।
সরকার ‘ক্রীড়া কার্ড’ চালুর মাধ্যমে খেলোয়াড়দের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছে বলেও জানান তিনি। এই সুবিধার আওতায় শারীরিক প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদরাও থাকবেন।
তিনি বলেন, দেশে ক্রিকেট ও ফুটবল জনপ্রিয় হলেও আরও অনেক খেলায় সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব খেলা থেকেও আন্তর্জাতিক সাফল্য আসতে পারে।
ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলায় আগ্রহ বাড়াতে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
শেষে খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে তার বার্তা ছিল পরিষ্কার- দেশের হয়ে খেলুন, দেশের জন্য জিতুন, দেশের সম্মান উঁচুতে তুলুন।




















